January 16,2017

This weekend we kept busy and Sunday we drove to Newport Beach and took kids to Fashion Island. We visited the Peloton store and purchased one and accessories.

After that I got my little girl a necklace and bracelet set at Claire’s. We went to RV to check on it and it wouldn’t start. That was a bummer but we went to Irvine Spectrum after and Savannah got to go on Carousel.

We saw they also had a Dave & Busters and our son has been wanting to go there for so long. So we planned to take kids there for dinner after we visit my cousin Kellie and her family. It was so nice to see Kellie and Jeff and the kids.

I was also glad we went back to Dave & Busters Brandon had so much fun. After we had dinner Jeff and I played games with Savannah while Brandon was using up the money we put on his gaming card.

Afterwards we got yogurt and then headed to hotel as Savannah was getting tired and cranky and was asking about Disneyland all day and night.

Monday we got up had breakfast got dressed and headed to Disneyland it was a nice day out we were able to do a good amount of Savannah’s rides then Brandon and I went on space mountain we all had lunch then went on Pirates of the Caribbean. Then we headed out and had lots of traffic on the way home.

Little one slept almost whole car ride but woke up for dinner. Then went right back to sleep after I changed her for bed. I think we all were tired. My son overslept this morning and Savannah slept until 7am which is late for her too.

My foot is now feeling messed up probably shouldn’t have walked on it at Disney all day yesterday but hoping to get back to Pure Barre tomorrow. Got coffee this morning after dropping Savannah off she was a little clingy on mama today but in the end her and her buddy Jacob walked off hand in hand to play. I tried a everything croissant this morning at Starbucks so delicious.

I am needing to get my grocery list made and get house cleaning done but taking a moment to finish coffee and catch up on shows. Ran into Nikki from Pure Barre at Starbucks she is such a sweetie.

I laid out food for dinner and I am making my grocery list now. Looks like Jeff is going to have to head to June Lake again. Well time to get my daily errands and cleaning done.

Hope everyone has a wonderful day

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • Twitter
  • RSS

দীঘা (প্রথম পর্ব)

কোথায় যে যাই… ভেবে না পাই…

আমরা কদিন সবাই খুব excited, কিছুতেই কোথায় ঘুরতে যাব ঠিক করতে পারছি না।  আমরা মানে – আমার অফিসের বন্ধুরা। যদিও খাতায় কলমে সব্বাই আমার Colleague, কিন্তু কিছুতেই সেটা মনে থাকেনা। সবাই এখানে আমার দাদা দিদি আর বন্ধু।

আমাদের এবারের ছোট ছুটিতে আমরা কোথায় যেতে পারি সেটা নিয়ে খুব ব্যস্ত আমাদের Tour Manager অনুষ্কাদি আর প্রীয়মদা। আর সাথে আমি তো আছিই , সব্বাইকে “ঘুরতে চলো ঘুরতে চলো” করে মাথা খারাপ করে দেবার জন্য। প্রচুর হোটেল এ ফোন করে আমরা ঠিক করলাম এবার দোল এ আমাদের গন্তব্য দীঘার সমুদ্র।

অবশেষে ১৫ই মার্চ,২০১৪ তে আমরা রওনা হলাম। আমি, অনুষ্কাদি – শোভনদা, পবন, ঋষি, রিমা, সুমনদা, প্রীয়মদা – আমরা আট জন। ঠিক হলো ধর্মতলা থেকে বাস এ করে আমরা  দীঘা যাচ্ছি। সব্বাই সকাল ৭ টায় ধর্মতলা বাস ডিপো।

Bye Bye কলকাতা… 

যথা সময়ে আমরা ধর্মতলা পৌঁছলাম। কিন্তু পৌঁছে তো সব্বার মাথায় হাত – বিশাল লাইনে প্রচুর মানুষ অপেক্ষা করছেন আমাদের মতই বাস এর জন্য। তিন দিনের ছুটি – বাঙালিকে আর কে আটকায় ?  কিন্তু এই লাইনে দাঁড়ালে সন্ধ্যার আগে দীঘা পৌঁছানো অসম্ভব। অবশেষে একটা গাড়ির খোঁজ পাওয়া গেল। আট জনের বসার জায়গা। আমরা সেই গাড়িটাই রিসার্ভ করে রওনা হলাম দীঘার উদ্দেশ্যে।

হাল্কা শীতের আমেজ আছে এখনও একটু সকালের দিকে – সকালের সেই ঘুম জড়ানো কলকাতার পথ ধরে আমরা এগিয়ে চললাম দীঘার দিকে। গাড়ির জানলা দিয়ে দেখলাম আস্তে আস্তে ঘুম ভাঙছে শহর কলকাতার। কোথাও ময়দানে ঘোড়া ছুটিয়ে সকালের গা-গরমের প্রস্তুতি, কোথাওবা মা-বাবার হাত ধরে ঘুম চোখে খুদে পায়ের হাটাহাটি, কোথাও আবার ক্রিকেট ব্যাট হাতে ছোটাছুটি, কোথাওবা ঝালমুড়িওলার হেঁটে চলা পসরা খুলে বসার তাগিদে, চা ওলার সকালের চা তৈরির তোড়জোড়। এভাবেই রোজকার রুটিনে ব্যস্ত কলকাতার পথ ধরে একটু ছুটির ঠিকানায় গাড়ি ছুটিয়েছি আমরা।

কেক বিসকুট কিনেই গাড়িতে উঠেছি। চলতে চলতে টুকটাক মুখ চলছে আমাদের। আর সাথে চলছে টক ঝাল মিষ্টি গল্প, এর-ওর পিছনে লাগা, হালকা হাসি-ঠাট্টা। দেখতে দেখতে পৌঁছে গেলাম কোলাঘাট। সকালের জলখাবার খেতে কেউই তেমন উৎসাহী নই। তাই গাড়ি আর না দাঁড়িয়ে ছুটল NH-6 ধরে। ঘন্টাখানেক পরেই পৌঁছে গেলাম কাঁথি। কাঁথি থেকে বাঁদিকে দীঘা-কন্টাই রোড ধরে এগিয়ে চললাম চাউলখোলার দিকে। চারিদিকে সবুজ়ে ভরা মাঠ আর হলুদ-সবুজে ছককাটা জমিতে ব্যস্ত চাষীরা। দেখলেই চোখ জুড়িয়ে যায়। আস্তে আস্তে আমরা ঢুকে পড়ছি শহরের মধ্যে। হঠাৎ দেখলাম বড় বড় দানার আঙ্গুর সাজিয়ে বসেছে দোকানে। লোভ সামলানো যায় নাকি ? গাড়ি দাঁড় করিয়ে নেমে পরলাম সবাই। আঙ্গুর কিনে আর ডাব দিয়ে গলা ভিজিয়ে আবার শুরু হলো পথ চলা। চাউলখোলা থেকে সোজা এগিয়ে বালিসাই হয়ে আমরা ঢুকে পড়লাম ওল্ড দীঘার রাস্তায়। গন্তব্য হোটেল লারিকা ইন। হোটেলটি ওল্ড দীঘা আর নিউ দীঘার মাঝামাঝি রাস্তায়। অবশেষে আমরা পৌঁছে গেলাম হোটেলে, বেলা তখন প্রায় সাড়ে ১১টা।

অবশেষে দীঘা

আমাদের Team

হোটেলে পৌঁছে কিছুক্ষণের বিশ্রাম। তারপর স্নান সেরে আমরা ঠিক করলাম খেতে যাব ওল্ড দীঘায়। সারা সকাল সেভাবে কিছু খাওয়া হয়নি, কাজেই বিনা বাক্যব্যায়ে ওল্ড দীঘা পৌঁছেই একটা হোটেলে ঢুকে পরলাম। আর ঢুকেই যার যার পছন্দ মত ভাত ডাল মাছ মাংস দিয়ে পেটপুজোয় ব্যস্ত হয়ে পরলাম আমরা।

জল কেলি

খাওয়া শেষে প্রীয়মদার দাবি – আজই সমুদ্রে স্নান করতে হবে কারণ, হাতে আর মাত্র একটা দিন। ভাবামাত্রই সমুদ্র – আর আমরা একছুটে জলে।

সমুদ্রের পাড়ে

সমুদ্রের জলে কিছুক্ষণ স্নানের পর পবনের ইচ্ছা হলো ঘোড়ায় চড়বে। পবনের দেখাদেখি রিমারও ইচ্ছা হলো ঘোড়ায় চড়ার। ইচ্ছাপূরণ তো করতেই হবে – উঠে পড়ল পবন আর রিমা ঘোড়ার পিঠে।
দুপুরের খাবার আর সমুদ্রের স্নান সেরে তখন আমরা সবাই খুব ক্লান্ত। তাই Beach এর সামনে পাতা কিছু চেয়ারে বসলাম, চললো আড্ডা। সূর্য ততক্ষনে ঢোলে পরেছে সমুদ্রের কোলে। দিগন্ত বিস্তৃত জলরাশি তখন লালে লাল। সূর্যাস্তের পরে আবার ফিরে আসলাম হোটেলে।

রাতের সমুদ্র

সূর্যাস্ত তো দেখলাম, কিন্তু রাতের সমুদ্র না দেখলে কি হয় ? আমরা তাই আবার চললাম সমুদ্রের দিকে। দোল এর ছুটিতে দিঘার রাস্তায় যেন লোকের মেলা বসে গেছে। এটা আমার প্রথমবার  দীঘায় আসা। আমার ধারনাই ছিল না দোল এর ছুটিতে দীঘায় এত ভিড় হতে পারে।

রাস্তার ধারে হাজারো দোকান

রাস্তার ধারে হাজারো দোকান, থরে থরে সাজানো আছে নানান সামুদ্রিক মাছ, কাজু বাদাম, কিসমিস, আখরোট, ঝিনুক দিয়ে তৈরী নানা রকমের ঘর সাজানোর জিনিস – আরো কত কী ? আমরা সব দোকান ঘুরে ঘুরে নানান জিনিস দেখলাম, ইচ্ছামত কিছু কেনাকাটিও সেরে ফেলা হলো।
এরমধ্যে রিমার খুব ইচ্ছা, বন্দুক দিয়ে বেলুন ফাটাবে। সেটাই বা আর বাদ যায় কেন? কিন্তু তাই বলে এরকম একটা স্কোর করে ফেলবে! রিমার স্কোর ১৭/১৮ !! একটু সাবধানে থাকতে হবে এবার থেকে – না জানি কখন গুলি করে দেয়!

চলতে চলতে হঠাৎ পথে ফুচকা ঝালমুড়ির দোকান। এসব কি আবার ছাড়া যায় ? তাই ফুচকা ঝালমুড়ি খেয়ে অবশেষে আমরা এসে বসলাম সমুদ্রের পাড়ে। সেই অপার জলরাশির মাঝে চাঁদের আলোর খেলা। চোখ ফেরানোই যায়না। ইচ্ছা করছিল চুপ করে বসেই থাকি, একা হারিয়ে যাই সেই মায়াবী আলোর সমুদ্রে।

কিন্তু না, হারিয়ে যাওয়া আর হলো না। চমক ভাঙলো প্রীয়মদার ডাকে। খেতে যেতে হবে – রাত প্রায় ৯টা। আজকের ডিনার একদম লা জবাব – কি নেই আমাদের মেনুতে ! ভাত  ডাল রুটি সব্জি এসব তো আছেই, তার সাথে যোগ দিয়েছে গরম গরম মটন কষা , আর কাঁকড়ার ঝোল। খাবার প্লেটে রান্না করা কাঁকড়ার সাথে সেই আমার প্রথম সাক্ষাৎ। কীভাবে খেতে হয় জানতাম না – হাতেখড়ি হলো কাঁকড়ার ঠ্যাং দিয়ে। অবশেষে প্রচুর খাওয়া-দাওয়া সেরে আমরা ফিরে চললাম হোটেলের দিকে।

জাগরণে যায় বিভাবরী 

হোটেলে ফিরে প্রথমে আমরা সবাই ভাবলাম ঘুমোতে যাব। কিন্তু বেড়াতে এসে ঘুমলে চলে ? আমি আড্ডা মারার মেজাজে। প্রীয়মদাও দেখলাম এক পায়ে রাজি। অনুষ্কাদি শোভনদাও যোগ দিয়েছে। বেশ একটা গল্পের মেজাজে সবাই। পবন এবার খুলে বসলো ওর গল্পের ঝুড়ি। রাতের অন্ধকারে ঘরের ঢিমে আলোয় ও শুরু করলো এক ভূতের গল্প। আর সত্যিই কি ভয়ানক সে গল্প – শুনতে শুনতে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছিল। এভাবে কতক্ষণ কেটেছে জানি না – আমি আর রিমা ভয়ে দুজন দুজনের হাত ধরে বসে আছি। বাকিদের অবস্থাও খুব একটা সুবিধের নয়। রাত তখন কটা সেটাও বলতে পারব না। অনুষ্কাদি বললো – “আর না, চল ঘুমাতে যেতে হবে। নইলে পরদিন সানরাইস Miss!”

কিন্তু ঘুমাতে যেতে হবে ? আমি আর রিমা দুজনেই দুজনের দিকে তাকাই। এরম ভূতের গল্পের পর ঘুম তো আর এ রাত্রে দেখা দেবেন বলে মনে হয়না।

অনুষ্কাদিরা চলে গেল নিজেদের রুম এ। রাত তখন প্রায় ২:৩০টে । জেগে রইলাম আমি, রিমা, সুমনদা, পবন, প্রীয়মদা আর ঋষি।
কিন্তু সময় যে কাটে না।  অবশেষে মুসকিল-আসান প্রীয়মদা বললো – “চল গান গেয়েই কাটিয়ে দি রাতটা”। এমন লোভনীয় সুযোগ ছাড়া যায় ? শুরু হলো আমাদের গান-আড্ডা। প্রীয়মদা দারুন গান গায়, রিমাও কম যায় না। গলা ছেড়ে তখন চলছে একের পর এক রবীন্দ্রসঙ্গীত। এতদিন পর গানের গুঁতোয় আমার গলাও বোধহয় ঘাবড়ে গিয়ে ঠিকঠাক সুরে বাজতে লাগলো। কিন্তু আমাদের টীম লিড সুমনদা যে কোডিং আর ফোটোগ্রাফির পরে এরম গানও গাইতে পারে তা আমাদের কল্পনার বাইরে ! এভাবেই আমরা কোনো গানের হাফ লাইন, কোনটা গুনগুন, কোনটা বা টেবিল বাজিয়ে সুরে-বেসুরে গাইতে লাগলাম।

হঠাৎ রিমা ধরল “জাগরণে যায় বিভাবরী…” আমরাও সবাই একসাথে গলা মেলালাম। সেই বিভাবরী আমাদের জাগরনেই কেটেছিল। গান যখন শেষ হলো, ভোর তখন ৪টে। রুমে ফিরলাম আমি আর রিমা। বিছানায় একটু গড়িয়েই ফ্রেশ হয়ে নিলাম। মোহনায় যেতে হবে তো – Sunrise দেখতে।

(ক্রমশঃ)

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • Twitter
  • RSS

Mountainous Hiatus: A Mindful Power

The mind is capricious. Some days it’s resilient, some days it’s fragile, and other days still it’s persistent to revive an aged, souvenir memory buried deep under chaotic senses and hearty jubilations. We are situational beings; and we will get what we want. This power is incredible, yet overwhelmingly unrecognized and therefore underappreciated.

While on an eighteen day trek in the Himalayas, I was faced with situations I would have easily prescribed bed rest for, but in the mountains, when a hiatus is unconditionally denied due to weather conditions, I had no other option but to keep moving forward. Each day’s trek I found myself chanting one foot, then the other silently in my head (the phrase itself is a happy memory, for my sister and I use to say this to our puppy as we moved his paws forward when tired on long walks). When I think back to this trek, I rarely think of the hardships, but it is fascinating to consider all that I faced. Foot injures, nerve injuries, cramps, nausea, vomiting, diarrhea, headache, exhaustion; none of it stopped me, nor does it stop most trekkers. At home, I would easily take the day off for any of these ailments, but in the mountains, a day off is not possible. The mountains mold you; you move with the weather, you sleep with the sun, and those early days you head out before light, you fervently pray for the sun to rise and restore but a drop of warmth to your frozen body. You don’t get a day off; but hard work is always rewarded.

With a swollen ankle, I was able to summit a peak of 18,500 feet; and let me tell you, the view was the best I’ve seen in my life. Every movement of the foot pained, but I’d come this far, how could I not push the extra mile? So how did I make it? Pure determination. Pure will. (And I won’t be deceptive, I also had a little bit of help from Advil).

This determination is not an easy thing. I’d faced a stone-cold moment where the thought crossed my mind that maybe I should turn back. This is not a normal thought for me when it comes to hiking and therefore I was furious with myself for even thinking it; but the situation itself was harsh. It was 5 AM, the sun had yet to rise, and we had already been hiking in the prolonged cold for an hour. The water dripping from my hydration pack had frozen onto my pants; my fingers were in an inexplicable state of pain from the cold; the oxygen levels were low and breathing in the icy air was an endeavor. We had barely reached the halfway point and the summit of Gokyo Ri was yet to come into view. I was towards the tail end of the ant trail of trekkers climbing up the mountain and this discouragement gave way to a dangerous thought: maybe I should turn back. Then the anger blazed through me. How could I give up? After two years of preparing for this trip, how could I turn back? I thought back to a class I had taken in college and reminded myself of the experiments that proved the healing powers of the mind. Let me become the subject and see if those experiments really had some truth behind them, I thought. So I took a raspy breath and another step forward. I can do this, the sun will rise, pain is temporary. I not only recited these cliché proverbs, but I believed them. I truly and genuinely believed them…then my body warmed. It was unbelievable. It was incredible. It was magic. There is no other way to explain it. You may not believe me, and there is nothing I can say to convince you, but this was an eye-opening experience. Experiencing the true and full power of the mind was exhilarating.

When the easy way out is an option, we effortlessly take it without thinking twice, but imagine all you can achieve if you will comfort and laziness to step out of the way. Take the breaks you need, and persevere through the ones you don’t; you have more energy than you can imagine, let your mind prove it to you.


Have you ever had a similar experience? I would love to hear about it; feel free to share below.

 

© KavaraStories. All Rights Reserved.

 

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • Twitter
  • RSS